ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামায বা সালাত। আল্লামা হাসান জামিল সাহেব তাঁর আলোচনায় নামাযকে কেবল একটি শারীরিক কসরত হিসেবে নয়, বরং মহান আল্লাহর সাথে বান্দার এক নিবিড় প্রেমের সেতুবন্ধন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর "সেরা কান্নার ওয়াজ" হিসেবে পরিচিত এই বয়ানটি আমাদের শিখিয়ে দেয় যে, নামাযে চোখের পানি ঝরানোই হলো প্রকৃত গোলামির চরম সার্থকতা।
আলোচনায় গুরুত্বারোপ করা হয়েছে যে, নামায মুমিনের মেরাজ। একজন মুমিন যখন 'আল্লাহু আকবার' বলে হাত বাঁধে, তখন সে দুনিয়ার সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সরাসরি রবের দরবারে হাজিরা দেয়। হাসান জামিল সাহেব অত্যন্ত দরদ দিয়ে বুঝিয়েছেন যে, নামাযে যখন বান্দা সিজদায় যায়, তখন সে মূলত তার সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে কাছে চলে যায়। এই সান্নিধ্য অনুভবের মুহূর্তটিই একজন মুমিনের জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি।
এই ওয়াজের মূল আকর্ষণ হলো নামাযের মধ্যে কান্নার গুরুত্ব। খতিব সাহেব উল্লেখ করেছেন, সাহাবায়ে কেরাম ও মহান আল্লাহওয়ালাগণ নামাযে দাঁড়ালে আল্লাহর ভয়ে এবং মহব্বতে এমনভাবে কাঁদতেন যে তাঁদের বুক থরথর করে কাঁপত। আজকের যান্ত্রিক জীবনে আমাদের নামায থেকে সেই প্রাণ বা খুশু-খুযু হারিয়ে গেছে। চোখের পানির মাধ্যমে নামাযকে জীবন্ত করার যে আহ্বান তিনি জানিয়েছেন, তা প্রতিটি মুমিনের অন্তরকে স্পর্শ করে।
এটি আল্লামা হাসান জামিল সাহেবের সেই আবেগপূর্ণ ওয়াজ বা আলোচনার ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধের খসড়া: